Cricket betting rules পড়তে গিয়ে বেশিরভাগ মানুষ একই জায়গায় আটকান: বৃষ্টিতে ম্যাচ ছোট হয়ে গেলে বাজিটা বাতিল হয়ে যাবে, নাকি নতুন হিসাবে নিষ্পত্তি হবে। সংক্ষিপ্ত উত্তর হলো, ওভার কমে গিয়েও ম্যাচ শেষ হলে একটা সরকারি ফল থেকে যায়, তাই ম্যাচ উইনার বাজি সাধারণত সেই ফল ধরেই নিষ্পত্তি হয়; আর খেলা এতটাই কম হলে যে ফলই তৈরি হয় না, তখন বাজি ভয়েড হয় এবং রাখা টাকা ফেরত আসে। এর কোনোটাই বেটিং সাইটের বানানো নিয়ম নয়, আর এই কারণেই নিয়মগুলো প্রায় সব প্ল্যাটফর্মে একই চেহারার। নিচে স্তরে স্তরে দেখানো হলো কোন সিদ্ধান্ত আসলে কে নেয়।
cricket betting rules বলতে আসলে কার লেখা নিয়ম?
আপনার বাজির পরিণতি তিনটি আলাদা জায়গায় লেখা নিয়মে ঠিক হয়, আর তিনটি লেখে তিনজন। উপরের ছবিটি এই তিনটি স্তরই পাশাপাশি দেখায়।
ক্রিকেটের আইন লেখে MCC। MCC নিজেই জানায়, আইসিসি খেলার বিশ্বজোড়া নিয়ন্ত্রক সংস্থা হলেও আইন লেখা ও ব্যাখ্যা করার ভার এখনো তাদের উপরেই, এবং সেই আইন গ্রামের মাঠ থেকে টেস্ট ম্যাচ পর্যন্ত সবখানে খাটে। এই স্তরটাই ঠিক করে ম্যাচের আদৌ কোনো ফল আছে কি না: জয়, টাই, ড্র, নাকি নো রেজাল্ট।
প্লেয়িং কন্ডিশন লেখে আইসিসি, আর তা ফরম্যাট ধরে আলাদা: টেস্ট, ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টির জন্য আলাদা আলাদা নথি প্রকাশ করা হয়। MCC-র ওই পাতাতেই লেখা আছে, এই খেলার নিয়মাবলি মূল আইনের সঙ্গে সূক্ষ্ম পার্থক্য তৈরি করতে পারে। খেলা কখন থামবে, ওভার কমলে লক্ষ্য কীভাবে বদলাবে, কখন ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষণা হবে, সবই এই স্তরে।
সেটেলমেন্ট নিয়ম লেখে অপারেটর নিজে, তার নিয়মাবলির পাতায়। এই স্তরটি ম্যাচে কী ঘটেছে তা ঠিক করে না; ঠিক করে ওই ঘটনার পর আপনার বাজির কী হবে।
পার্থক্যটা কাজে লাগে এভাবে: প্রথম দুই স্তর সব সাইটে এক, কারণ ওগুলো কোনো বেটিং সাইট লেখেনি এবং লিখতেও পারে না। তাই "এই সাইটে বৃষ্টির নিয়ম কী" প্রশ্নের বড় অংশের উত্তর সাইটের বাইরে থেকেই আসে। যেটুকু সাইটভেদে বদলায় সেটুকু অল্প, কিন্তু টাকার দিক থেকে সেটুকুই সবচেয়ে ধারালো।
বৃষ্টিতে ওভার কমে গেলে বাজি কি বাতিল হয়ে যায়?
সাধারণত না। ওভার কমলে লক্ষ্য নতুন করে হিসাব করা হয়, ম্যাচের একটা ফল থেকেই যায়, আর ফল থাকলে নিষ্পত্তি করার মতো কিছু থাকে।
খেলা থামলেই প্রথমে যা হয় তা হলো লাইভ মার্কেট সাসপেন্ড হয়ে যাওয়া: কত ওভার আদৌ হবে তা তখন কেউ জানে না, তাই নতুন বাজি নেওয়া বন্ধ থাকে। এটি কোনো শাস্তি নয়, দাম ঠিক করার মতো তথ্য না থাকার স্বাভাবিক ফল।
তারপর হিসাবটা শুরু হয়। আইসিসি জানায়, খারাপ আবহাওয়ায় খেলা বিঘ্নিত হলে জয়ী দল ন্যায্যভাবে নির্ণয় করার জন্য তারা ডাকওয়ার্থ লুইস স্টার্ন পদ্ধতি আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেছে, এবং এই পদ্ধতিতে সময় নষ্ট হলে মোট রান নতুন করে হিসাব করা হয়। মূল কথাটা এখানেই: পদ্ধতিটির কাজ ম্যাচ বাতিল করা নয়, ছোট হয়ে যাওয়া ম্যাচেও একজন বিজয়ী বের করা।
এর ফল বাজির জন্য সরাসরি। ম্যাচ উইনার মার্কেটে একটা সরকারি বিজয়ী পাওয়া যায়, তাই সেই বাজি ওভার কমেছে বলে ভয়েড হয় না; নিষ্পত্তি হয় ওই ফল ধরে, আর আপনি বাজি রাখার সময় যে অডস লক করেছিলেন সেই অডসেই।
অসুবিধাটা অন্য মার্কেটগুলোতে, আর এটাই অংশটা মানুষ সবচেয়ে কম আশা করেন। মোট রান ওভার বা আন্ডার, কিংবা নির্দিষ্ট কয়েক ওভারের রানের মতো মার্কেট কোনো দলের জয় নয়, একটা পরিমাণ মাপে। ওভার উধাও হয়ে গেলে ওই পরিমাণ আর আগের লাইনের সঙ্গে তুলনীয় থাকে না। তখন মার্কেটটি ভয়েড হবে, নাকি যতটুকু খেলা হয়েছে তার ভিত্তিতে নিষ্পত্তি হবে, সেটা আর ক্রিকেটের প্রশ্ন নয়, তৃতীয় স্তরের প্রশ্ন। এখানে সর্বজনীন উত্তর নেই, এবং যে কেউ সর্বজনীন উত্তর দিলে সে আসলে একটামাত্র অপারেটরের নিয়ম বলছে। কোন মার্কেট কী মাপে তার ভাঙা হিসাব আলাদা করে দেওয়া আছে ক্রিকেট বেটিং করার নিয়ম নিয়ে লেখাটিতে।
ম্যাচ পরিত্যক্ত বা নো রেজাল্ট হলে টাকা কি ফেরত আসে?
খেলা এতটাই কম হলে যে নিয়ম অনুযায়ী কোনো ফল নির্ণয় করাই যায় না, ম্যাচের ফল দাঁড়ায় নো রেজাল্ট। ফল না থাকলে "কে জিতবে" প্রশ্নটারই উত্তর নেই, তাই ম্যাচ উইনার বাজি ভয়েড হয় এবং রাখা টাকা ফেরত আসে।
ভয়েড মানে হার নয়, আবার জয়ও নয়। রাখা টাকা অ্যাকাউন্টে ফিরে আসে, কিন্তু অডস ধরে কোনো লাভ হয় না। অর্থাৎ ফল যা-ই হতো, বাজিটা ঘটেনি ধরা হয়।
এখানে একটা ভুল ধারণা ভাঙা দরকার, কারণ এটি নিয়মিত টাকা নষ্ট করে: ড্র আর নো রেজাল্ট এক জিনিস নয়। টেস্টে নির্ধারিত দিনে ফয়সালা না হলে ম্যাচ ড্র হয়, আর ড্র একটা পূর্ণাঙ্গ ফল, খেলা হয়েছে এবং শেষ হয়েছে। বহু প্ল্যাটফর্মে টেস্টের ম্যাচ উইনার মার্কেটে ড্র আলাদা একটা বিকল্প হিসেবেই থাকে, অর্থাৎ তাতে বাজিও ধরা যায় এবং তা জিততেও পারে। নো রেজাল্ট উল্টো জিনিস: ম্যাচ সম্পূর্ণ হয়নি, ফলই তৈরি হয়নি। দুটোকে এক ধরে নিলে কেউ ভাবেন বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়া টেস্টে তার "ড্র" বাজি জিতেছে, অথচ সেখানে ড্র ঘোষণাই হয়নি।
ডেড হিট কী, আর ম্যাচ টাই হওয়ার সঙ্গে এর পার্থক্য কোথায়?
দুটো আলাদা জিনিস, আর গুলিয়ে ফেলা সহজ, কারণ বাংলায় দুটোকেই "সমান হওয়া" বলা যায়।
টাই ম্যাচের একটা ফল: দুই দলের রান সমান। সীমিত ওভারের অনেক টুর্নামেন্টে এরপর সুপার ওভার হয় এবং ম্যাচের একজন বিজয়ী বেরিয়ে আসে। তখন ম্যাচ উইনার বাজি সুপার ওভারসহ চূড়ান্ত ফল ধরে নিষ্পত্তি হবে, নাকি নির্ধারিত ওভারের টাই ধরে ভয়েড হবে, সেটি তৃতীয় স্তরের প্রশ্ন। নকআউট ম্যাচে বাজি রাখার আগে দেখে নেওয়ার মতো লাইন এটিই।
ডেড হিট ম্যাচের ফল নয়, একটা মার্কেটের ভেতরের অবস্থা: যতগুলো জায়গা আছে তার চেয়ে বেশি নির্বাচন সমান হয়ে গেছে। টপ ব্যাটসম্যান মার্কেটে দুজন একই রানে শেষ করলে প্রথম স্থান একটাই, দাবিদার দুজন। ম্যাচের ফল এতে বদলায় না, ম্যাচের একজন বিজয়ীও থাকতে পারে।
ফিক্সড অডসে এর চলতি সমাধান হলো ভাগ করে নেওয়া: রাখা টাকাকে সমান দাবিদারের সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা হয়, ভাগের একটা অংশ পুরো অডসে নিষ্পত্তি হয়, আর বাকি অংশ ওই বাজি থেকে বাদ যায়। দুজন সমান হলে তাই আপনার অর্ধেক টাকা জেতা বাজি হিসেবে গোনা হয়, পুরোটা নয়, যদিও আপনার নির্বাচন সত্যিই প্রথম হয়েছে। এই ভাগের হিসাব আর ঠিক কোন কোন মার্কেটে এটি খাটে, তা অপারেটরের নিয়মে লেখা থাকে, এবং এটিই সেই জায়গা যেখানে একই ফল দুই সাইটে দুই রকম টাকা দিতে পারে।
ক্রিকেট বেটিংয়ের নিয়ম বুঝতে খেলাটার কতটুকু জানা দরকার?
পুরো খেলা শেখার দরকার নেই, কিন্তু সেটেলমেন্টের ভাষা পড়তে গেলে চারটি জিনিস না জানলেই নয়। ধাপে ধাপে:
- ইনিংস আর ওভার। দুই দল পালা করে ব্যাট করে, আর একটা ইনিংস কতগুলো ওভারে সীমিত তা ফরম্যাট ঠিক করে দেয়। বাজির দিক থেকে ওভার হলো সময়ের একক, আর বৃষ্টি সেই এককই কেড়ে নেয়।
- লক্ষ্য। পরে ব্যাট করা দল একটা নির্দিষ্ট সংখ্যা তাড়া করে। ওভার কমলে এই সংখ্যাটাই নতুন করে বসানো হয়, আর সেটাই উপরে বলা পদ্ধতির কাজ।
- ম্যাচ গণ্য হওয়ার শর্ত। প্রতিটি ফরম্যাটে ন্যূনতম কতটুকু খেলা হলে ফল গোনা হবে, তা ওই টুর্নামেন্টের প্লেয়িং কন্ডিশনে লেখা থাকে। এই একটি শর্তই কার্যত ঠিক করে দেয় আপনার বাজি নিষ্পত্তি হবে না ভয়েড হবে, তাই বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকলে সংখ্যাটা ওই নথিতে দেখে নেওয়ার মানে আছে।
- ফলের চারটি রূপ: জয়, টাই, ড্র আর নো রেজাল্ট। সেটেলমেন্টের প্রতিটি নিয়ম শেষ পর্যন্ত এই চারটির একটাকে ধরেই লেখা।
এর বাইরে বাকি সব, যেমন কত রকমভাবে আউট হওয়া যায় বা ফিল্ডিং সাজানোর নিয়ম, খেলা দেখতে কাজে লাগে, কিন্তু সেটেলমেন্টের নিয়ম পড়তে লাগে না। শুরু করার জন্য এটাই ভালো খবর: যে অংশটা টাকার সঙ্গে জড়িত, সেটা খেলার সবচেয়ে ছোট অংশ।
ক্রিকেটের মূল নিয়ম কি ১০টা, না ১৫টা?
কোনোটাই নয়। "১০টি মূল নিয়ম" বা "১৫টি নিয়ম" নামে যে তালিকাগুলো ঘোরে, সেগুলো কারও লেখা সারসংক্ষেপ, কোনো সরকারি গণনা নয়। আসল আইন MCC-র প্রকাশিত কোডে নম্বর দেওয়া ধারা হিসেবে সাজানো থাকে, আর তার উপরে বসে ওই টুর্নামেন্টের প্লেয়িং কন্ডিশন।
এটি শুধু তথ্যের শুদ্ধতার কথা নয়, ব্যবহারিক কথাও। সেটেলমেন্ট নিয়ে প্রশ্ন তুললে অপারেটরের সাপোর্ট উত্তর দেয় নির্দিষ্ট ধারা আর নির্দিষ্ট প্লেয়িং কন্ডিশন ধরে, কোনো তালিকা ধরে নয়। তাই যে নিয়মটায় আপনার টাকা আটকে আছে, সেটি তালিকায় না খুঁজে মূল নথিতে খোঁজা দ্রুততর, এবং তর্কের সময় সেটাই একমাত্র কাজে লাগে।
নির্দিষ্ট একটা সাইটের সেটেলমেন্ট নিয়ম কোথায় পড়বেন?
অনেকে সরাসরি অপারেটরের নাম লিখে নিয়ম খোঁজেন, আর প্রবৃত্তিটা ঠিক: তৃতীয় স্তরটা একমাত্র ওখানেই লেখা থাকে। তবে খোঁজার জায়গা সাধারণত কোনো ব্লগ নয়, অপারেটরের নিজের নিয়মাবলি বা স্পোর্টস রুলস পাতা, যেখানে খেলাভিত্তিক আলাদা অংশ থাকে।
ক্রিকেটের অংশে অন্তত এই চারটি জিনিস খুঁজে দেখার মতো, কারণ এগুলোতেই সাইটভেদে পার্থক্য হয়:
- ওভার কমে যাওয়া ম্যাচে কোন কোন মার্কেট দাঁড়িয়ে থাকে আর কোনগুলো ভয়েড হয়।
- ম্যাচ পরিত্যক্ত হলে কোন মার্কেটগুলো ভয়েড হয়, আর ম্যাচটি নতুন তারিখে হলে কী হয়।
- টাই ও সুপার ওভারে ম্যাচ উইনার মার্কেট কোন ফল ধরে নিষ্পত্তি হয়।
- ডেড হিট কীভাবে ভাগ করা হয়, আর ঘোষিত দলে থাকা কেউ না খেললে প্লেয়ার মার্কেটের কী হয়।
এই অংশগুলো কোথায় থাকে এবং কোন ভাষায় থাকে তা প্ল্যাটফর্মভেদে আলাদা। 22Bet এর মতো প্ল্যাটফর্মে কোন মার্কেট আর অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত অংশগুলো কী চেহারার, তা ভাঙা আছে আমাদের রিভিউ পাতায়; তবে সেটেলমেন্টের প্রকৃত বয়ান সবসময় অপারেটরের নিজের নিয়মাবলিতেই দেখে নিতে হবে, কারণ শর্ত বদলালে সেখানেই আগে বদলায়। একটা সতর্কতা এর সঙ্গে জুড়ে যায়: নিয়ম পড়ছেন ঠিক সেই ডোমেইনে কি না তা আগে মিলিয়ে নেওয়া দরকার, কারণ নকল সাইটের নিয়মের পাতা দেখতে একই রকম হয়; সাইট যাচাই করার ধাপগুলো আলাদা করে লেখা আছে।
শেষে দুটো কথা, যেগুলো সেটেলমেন্টের নিয়ম নয় কিন্তু একই রকম খাটে। বাজি ধরা কেবল প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য, ১৮ বছরের কম বয়সে নয়। নিয়ম বুঝলে অপ্রত্যাশিত নিষ্পত্তি কমে, কিন্তু কোনো নিয়ম জানা বাজির ফল নিশ্চিত করে না, আর লম্বা সময়ে অডসের ভেতরে বসানো অপারেটরের মার্জিন খেলোয়াড়ের বিপক্ষেই কাজ করে। যে টাকা হারালে মাসের হিসাব ভেঙে পড়ে, সেই টাকায় বাজি ধরার কোনো নিরাপদ পদ্ধতি নেই, আর বাজি খেলা ঘুম, সময় বা সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলতে শুরু করলে সেটি থামার সংকেত, এবং এ ব্যাপারে পেশাদার সহায়তা নেওয়া যায়। বাংলাদেশের আইনি অবস্থান এর থেকে আলাদা একটা প্রশ্ন, আর সেটি ব্যাখ্যা করা আছে সাধারণ জিজ্ঞাসার পাতায়।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
বেটিংয়ে "রুল ফোর" কী, ক্রিকেটে কি এটা খাটে?
রুল ফোর ঘোড়দৌড়ের বাজি থেকে আসা একটা নিয়ম: কোনো প্রতিযোগী প্রত্যাহার করলে বাকিদের জেতার সম্ভাবনা বেড়ে যায়, তাই জেতা টাকা থেকে একটা হারে কেটে নেওয়া হয়, আর সেই হার নির্ভর করে সরে যাওয়া প্রতিযোগীর দামের উপর। ক্রিকেটে এই নামে সর্বজনীন কোনো কাটছাঁট নেই। ঘোষিত দলে থাকা কোনো খেলোয়াড় শেষ মুহূর্তে না খেললে টপ ব্যাটসম্যানের মতো মার্কেটে কী হবে, তা অপারেটরের নিয়মে আলাদা করে লেখা থাকে, এবং সাধারণত সেখানে বলা থাকে ওই নির্বাচনটি কখন ভয়েড হবে আর মার্কেট কখন থেকে গণ্য হবে।
অ্যাকুমুলেটরের একটা অংশ ভয়েড হলে পুরো বাজিটাই কি বাতিল হয়?
সাধারণত না। অ্যাকুমুলেটরে একটা নির্বাচন ভয়েড হলে চলতি চল হলো ওই অংশটিকে 1.00 অডস ধরে হিসাব থেকে সরিয়ে দেওয়া, অর্থাৎ সে আর মোট অডসকে বাড়ায় না, আর বাকি নির্বাচনগুলো নিয়ে বাজিটা চালু থাকে। ফল হলো সম্ভাব্য ফেরত কমে যায় কিন্তু বাজিটা হারে না: চার ম্যাচের অ্যাকুমুলেটরে একটা ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে গেলে সেটি কার্যত তিন ম্যাচের অ্যাকুমুলেটর হয়ে চলতে থাকে। এটিও তৃতীয় স্তরের নিয়ম, তাই নিজের প্ল্যাটফর্মের নিয়মাবলিতে মিলিয়ে নেওয়া দরকার।
ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ার কতক্ষণ পর ভয়েড হয়ে টাকা ফেরত আসে?
ফেরত আসে নিষ্পত্তির সময়, অর্থাৎ ম্যাচ অফিসিয়ালদের সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে নথিভুক্ত হওয়ার পর, বৃষ্টি শুরু হওয়ার মুহূর্তে নয়। এর মাঝখানে কিছুটা সময় থাকে, আর সেই সময়টায় অ্যাকাউন্টে বাজিটা অমীমাংসিত দেখায়, যা অনেকে ভুল করে আটকে যাওয়া ভাবেন। যতক্ষণ খেলা আনুষ্ঠানিকভাবে পরিত্যক্ত ঘোষণা হয়নি, ততক্ষণ নিয়ম অনুযায়ী ম্যাচটি চালু, তাই তার আগে ভয়েড হওয়ারও কথা নয়।